গত কয়েকদিন ধরে রাজশাহী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এমপি এনামুল হককে নিয়ে বেশ আলোচনা দেখা দিয়েছে। মূলত এই এমপি বিরুদ্ধে এক নারী অভিযোগ আনার পর থেকে এই আলোচনা শুরু হয়েছে। আয়েশা আক্তার লিজা নামের ওই নারী এমপি এনামুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে দাবি করছে। তবে এই এমপি এনামুল হক বলছ তার সাথে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। এই এমপি তার বিয়ের বিষয়ে বলেন তাকে আমি বিয়ে করেছিলাম তবে এরপর তার সাথে আমার ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। এর আগে ওই নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দেন। এদিকে, এই ঘটনা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


লিজা গতকাল শনিবার গণমাধ্যমের কাছে অভিযোগ করেন, ’এমপি আমাকে নিয়ে খেলেছেন। যখন তার প্রয়োজন হয়েছে তখন কাছে নিয়ে রেখেছেন। এখন প্রয়োজন শেষ দূরে ছুড়ে ফেলে দিচ্ছেন।’ এর বিচার দাবি করে তিনি বলেন, ’আমার নামে তাঁর পিএসকে দিয়ে মামলা করিয়েছেন। আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আমি গ্রেপ্তার আতঙ্কে ভুগছি।’ সূত্র:কালের কন্ঠ

তবে এমপি এনামুল হক বলেন, ’আমার একসময়ে বিয়ের সম্পর্ক ছিল ওই নারীর সঙ্গে। এখন নাই। তাঁকে সম্পূর্ণ দেনমোহর পরিশোধ করেছি আমি। কিন্তু তার পরও তিনি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করছেন। এ কারণে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে এমপি বলেন, ’বাগমারায় যাঁরা বিভিন্ন অপরাধ করেছেন, তাঁদের নামে সেই সব অভিযোগে মামলা হয়েছে। এখানে আমার কারণে কারো বিরুদ্ধে মামলা হয়নি। আমি কাউকে মামলা করার পরামর্শ দিইনি।’

এমপি এনামুলের দ্বিতীয় স্ত্রী লিজা গত ২৯ মে ফেসবুকে এমপি এনামুলের সঙ্গে তাঁর বেশ কিছু ছবি পোস্ট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, ’এমপি সাহেব আমার হাজবেন্ড, এই কথা কারো কাছে যদি অবিশ্বাস্য মনে হয়, তাহলে বিয়ের কাগজপত্র দেখতে পারেন।’

লিজা আরো দাবি করেন, ’২০১৮ সালের ১১ মে এমপি এনামুলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। এ ছাড়া প্রথমে প্রায় আট বছর আগে তাঁদের বিয়ে হয় মৌখিকভাবে এমপির বাগমারার শিকদারবাড়িতে। কিন্তু লিখিত বিয়ের পর গত দুই বছর ধরে তিনি লিজাকে গোপনে স্ত্রীর পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।’

এরপর গত ১ জুন লিজা তাঁর ফেসবুক ওয়ালে লেখেন, ’আপনারা সবাই ভাবছেন, আমি থেমে গেছি। আমি থেমে যাই নাই। সংসদ সদস্যের ভক্তরা আমাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছেন। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাকে জেলে দেওয়া হবে, এমন বলছেন। এবং মাননীয় সংসদ সদস্য গতকাল আমাকে বলেছেন, আমি গণমাধ্যমে এসেছি তাই আমাকে আজ উনি ডিভোর্স দিবেন।’



এদিকে, এই এমপি বিষয়ে অনেকে কথা বলছেন। অনেকে আবার অভিযোগও তুলছে এই এমপির বিরুদ্ধে। তবে এই নারী বলছে আমাকে তিনি বিয়ে করেছেন। আরও বলেন নির্বাচনের পর আমাদের বিয়ের বিষয় সবাইকে জানাবেন। আর এখন তিনি বলছে আমি তার স্ত্রী না। তিনি আমাকে নানা রকম ভয় দেখান বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। এছাড়া এই নারী প্রথম থেকে বলে আসছে এমপি আমাকে তালাক দেয়নি। তিনি ভুয়া কাগজ তৈরি করেছে আর সেই কাগজ দিয়ে তিনি প্রচার করছে বলেন ওই নারী। আর এই সকল ঘটনা নিয়ে বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ আলোচান দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display