করোনা ভাইরাসের কারণে যখন পুরো দেশের মানুষ এক প্রকার ভীতির মধ্যে রয়েছে আর ঠিক সেই সময় এক প্রেমিকা বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ি বিয়ের জন্য অনশন করছেন। জানা গেছে এই প্রেমিকা গত দুই দিন যাবৎ তার প্রেমিকের বাড়ি অবস্থান করছেন। তবে এই প্রেমিকার তিনটি সন্তান রয়েছে। তিনি তিন সন্তানের জননী। আর এই ঘটানা ঘটেছে ফরিদপুরের। এই ঘটনা নিয়ে বর্তমানে ওই প্রমিকের এলাকায় ব্যাপক আলোচনা দেখা দিয়েছে। তবে এই অনশনের ঘটনা শুনে প্রমিক বাড়ি থেকে পালিয়েছে। জানা গেছে তিনি বাড়ি থেকে পালিয়ে রাজধানী ঢাকায় গিয়েছেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display



ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলীবেড়া ইউনিয়নের পল্লীবেড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।ওই গ্রামের এলেম মাতুববরের মেয়ে মাকসুদা বেগম (৩৫) বিয়ের দাবি নিয়ে একই গ্রামের এমদাদুল মাতুববরের বাড়ির উঠানে মাদুর পেতে অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। আগে থেকেই বিবাহিত এমদাদুলেরও ৩ সন্তান রয়েছে।

এদিকে, ঘটনার পর থেকে প্রেমিক এমদাদুল গা ঢাকা দিয়েছেন।

প্রেমিকা মাকসুদার ১৬ ও ১২ বছর বয়সী ২টি ছেলে ও ২ বছর বয়সী ১টি মেয়ে সন্তান রয়েছে। অপরদিকে এমদাদুলেরও ১৭ ও ১৩ বছর বয়সী দুটি ছেলে ও ৯ বছর বয়সী একটি মেয়ে রয়েছে। মাকসুদা ও তার পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ তার সাথে (এমদাদুল) প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল। এক পর্যায়ে তাকে বিয়ে করে স্ত্রীর মর্যাদা দিবে এমন প্রলোভনে তার সাথে এমদাদুল স্বামী-স্ত্রীর মত আচরণ করতে থাকে। গত এক বছর আগে তার স্বামী মা’রা যায়। এ সুযোগে তার মধ্যে ও প্রেমিক (এমদাদুলের) সাথে সম্পর্ক গভীর হয়ে উঠে এবং বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগের মাত্রা বেড়ে যায়। সম্প্রতি তাকে বিয়ের জন্য এমদাদুলকে চাপ প্রয়োগ করলে সে নানা ছলচাতুরী শুরু করে। এক পর্যায়ে প্রেমিক এমদাদুল তাদের মধ্যে গড়ে উঠা সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে। তাই বাধ্য হয়ে এখানে এসে অনশন শুরু করেছি। দাবী মানা না পর্যন্ত অনশন চলবে।

বুধবার সকালে বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় প্রেমিকা মাকসুদা বাড়ির মেঝেতে মাদুর পেতে বসে আছে।

বিষয়টিকে সামাজিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে। তবে অভিযুক্ত এমদাদুল মাতুববরের স্ত্রী বলেন, পুরো বিষয়টি বেশ ভাবিয়ে তুলেছে। অভিযুক্ত এমদাদুলের ভাই ঘটনাটি স্বীকার করে বলেন, আমরা সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।

এদিকে, কাউলীবেড়া ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসনাত দুদু মিয়া জানান, বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়েছি। দুই পক্ষই আমার কাছে অভিযোগ নিয়ে এসেছে। আমি দু,পক্ষের সম্মতিতে বিষয়টি সামাজিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। সূত্র:পূর্বপশ্চিমবিডি


এদিকে, এই অনশনের ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা দেখা দিয়েছে। প্রমিকের বাড়ি অনশন করা ওই প্রমিকাকে দেখতে ওই এলাকার শত শত মানুষ ভির করছে। এদিকে, ওই বাসার এক লোক বলেন তিনি বিয়ের দাবিতে অনশন করছেন। তবে তিনি যার জন্য অনশন করছেন তিনি বাড়িতে নেই। তার প্রেমিক অনেক আগেই বাড়ি থেকে পালিয়েছে। যার এ কারণে এই ঘটনার কোনো সমাধান করা যাচ্ছে না। তবে এই প্রেমিকা বলছে আমি আমার দাবি না মানা পর্যন্ত এই বাড়ি থেকে যাবো না। আর এ জন্য তিনি ওই বাড়ি অবস্থান করছেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display