করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে অনেক মানুষ বেকার হয়ে পড়েছে। আর দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। এদিকে, অনেক প্রতিষ্ঠান অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। এতে করে দেশে অনেক মানুষ গরীব হয়ে যাবে এমনটাই একটি গবেষণায় উঠে এসেছে। এই গবেষণায় বলা হচ্ছে সামনের দিনে দেশে আরও অনেক মানুষ গরীব হতে পারে। আর এর ফলে দেশের অনর্থনৈতিক অবস্থা আরও খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display



নভেল করোনাভাইরাসের কারণে যে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বাংলাদেশে ২ কোটি ৪০ লাখ মানুষ নতুন করে গরীব হবে বলে আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদ ও বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক বিনায়ক সেন।

দারিদ্র্য, বৈষম্য ও সমতামুখী প্রবৃদ্ধি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে গবেষণায় নিয়োজিত থাকা বিনায়ক সেন দেশের একটি ইংরেজি দৈনিকের সঙ্গে আলাপকালে জানান, নতুন করে যারা গরীব হবেন তাদের মধ্যে ৮ মিলিয়ন মানুষ গ্রামাঞ্চলের। শহুরেদের মধ্যে এই সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১৫.৫ মিলিয়নে।

বাংলাদেশে মার্চের ৮ তারিখ প্রথম করোনারোগী শনাক্তের পর ধীরে ধীরে সাধারণ ছুটি নিয়মিত বাড়ানো হচ্ছে। দেশে গত এক দিনে আরও ৭০৬ জনের মধ্যে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১২ হাজার ৪২৫ জন।

বিনায়ক সেন জানালেন, দরিদ্রতার হার ইতিমধ্যে ২৪.৪ শতাংশ থেকে ৩৩.২ শতাংশে পৌঁছানোর শঙ্কা করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি অপুষ্টি বাড়তে পারে বলেও ধারণা তার।

অর্থনীতি সচল রাখার পাশাপাশি দারিদ্র্য মোকাবিলায় সরকার প্রণোদনা কিংবা আর্থিক সাহায্যের যে পদক্ষেপ নিয়েছে তাকে সাধুবাদ জানালেও ’ত্রুটি’ থাকার কথা বলেছেন বিনায়ক সেন।

বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জরিপে দেখা যাচ্ছে ৫০ শতাংশ মানুষ গরীব নয়।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কাটিয়ে সাধারণ মানুষ যাতে সহজে খাদ্য সহায়তা পায়, সে জন্য ভারতের আদলে আধার কার্ডের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।


উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের কারণে দেশে বর্তমানে অনেক মানুষের উপার্জন নেই। এ কারণে এই সকল মানুষরা অনেক সমস্যার মধ্যে দিয়ে দিন কাটাচ্ছে। তবে দেশে অনেক মানুষকে সহায়তা করা হচ্ছে। কিন্তু দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন খারাপের দিকে যাচ্ছে। আর এ কারণে সামনের দিন গুলোতে দেশে গরীব লোকের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display