দেশে এখন পর্যন্ত বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। এছাড়া কয়েকজন রাজনৈতিক ব্যক্তি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছে। তবে এরপরও দেশে দিন দিন অনেকে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছেন। এদিকে, সম্প্রতি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আর বর্তমানে তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। তার শরীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজ হাসপাতাল থেকে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display



প্রথম দফায় প্লাজমা থেরাপি দেয়ার পর তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। আজ আরও একটি প্লাজমা থেরাপি দেয়ার কথা রয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালের সিও অ্যান্ড ডিরেক্টর আল ইমরান চৌধুরী এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত সোমবার থেকে মোহাম্মদ নাসিম হাসপাতালে ভর্তি আছেন। সোমবারই তাকে প্রথম প্লাজমা থেরাপি দেয়া হয়। এরপরই তার অবস্থা উন্নতির দিকে যায়। এখন পর্যন্ত অবস্থা স্থিতিশীল। ঢাকা মেডিকেল থেকে প্লাজমা সংগ্রহ করে তাকে থেরাপি দেয়া হচ্ছে।

এদিকে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মনোয়ারুল সাদিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মোহাম্মদ নাসিমকে প্রতি মিনিটে পাঁচ থেকে ছয় লিটার করে অক্মিজেন দেয়া হচ্ছে। প্রতি লিটার অক্সিজেনের দাম তিন থেকে চার টাকা। সূত্র: ব্রেকিংনিউজ

এর আগে গত সোমবার দুপুর ১২টায় শ্বা’সকষ্ট নিয়ে উনি (নাসিম) হাসপাতালে আসেন। এরপর করোনা উপসর্গ দেখতে পাওয়ায় তার নমুনা সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা করা হলে রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। ওইদিন দুপুরের পর থেকেই তাকে আইসিইউতে রাখা হয়।

ওইদিন বিকেলে বাবার অসুস্থতা নিয়ে নাসিমের ছেলে তানভীর শাকিল জয় বলেছিলেন, ’এমনিতেই আব্বুর শারীরিক অবস্থা ভালো নয়, নানা সমস্যা নিয়ে আছে। আজকে নিউমোনিয়ার সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে উনাকে শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করেছি। এখন কিছুটা সুস্থ বোধ করছেন।’

নাসিমপুত্র তখন আরও বলেন, ’আব্বুর অসুস্থতা নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছি।


এদিকে তার ছেলে আরও বলেন, বাবার করোনার রিপোর্ট আসার আগে দিন চারেক আগে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। আর এরপর তার করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর বর্তমানে তিনি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে আইসিইউতে রয়েছেন। তবে এরপরও যদি জরুরি দরকার হয় বাবাকে সিএমএইচে নিয়ে যাবো বলেন তার ছেলে। তার ছেলে আরও জানান, এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী সিএমএইচে কথা বলে রেখেছেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display