করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ও শ্রমিক সংকটের কারণে কৃষকেরা তাদের ধান ঘরে তুলতে পারছে না। যার কারণে এই সকল কৃষকদের অনেকে সহায়তা করছে। তবে সম্প্রতি, কৃষকের সহায়তার নামে অনেক মানুষ শুধু ফটোসেশন করছে এমন অভিযোগ উঠছে। এই বিষয়ে দেশে এখন অনেকে কথা বলতে শুরু করেছে। আর এবার এই বিষয়ে কথা বলেছেন লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


সাহায্যের নামে কৃষকের ক্ষেতের কাঁচা ধান কাটা, একটু ফটোসেশনের নামে ফসল নষ্ট করা এর চেয়ে নির্লজ্জ বিষয় হতে পারেনা বলে মনে করছেন লেখক ও গবেষক সৈয়দ আবুল মকসুদ।

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, যখন এতবড় একটি বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি। আমাদের খাদ্য সংকট সবচেয়ে বড় সংকট। অসুখ নিরাময় যেমন জরুরি। খাদ্য সংকট দূর করাটা আরো বেশি জরুরি। অন্যথায় না খেয়ে মরবে মানুষ। যেখানে প্রধানমন্ত্রী বলছেন এক ইঞ্চি জমিও যাতে অনাবাদি না থাকে। ফসল, তরকারি ফলানো হয়।সূত্র-মানবজমিন।

সেখানে কৃষক কষ্ট করে তাদের ফসল ফলিয়েছে। সেই ফসল নষ্ট করা। এবং সেজন্য যে এই নির্লজ্জভাবে ছবি তোলার জন্য, খবরের কাগজে নাম ছাপার জন্য যে কাজগুলো তারা করছে এটা সম্পূর্ণ জনবিরোধী। এটা জাতীয় স্বার্থ বিরোধী। এবং এই কাজ যারা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ। তারা যত ক্ষমতার অধিকারীই হোন। তারা মন্ত্রী হোন। সংসদ সদস্য হোন। তারা যেই হোন। তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিৎ। দেশের আইন, নিয়ম-কানুন, সামাজিক রীতিনীতি এগুলো সকলের জন্য সমান। কেউ যখন উঁচু পদে থাকবে তারা একরকম সুযোগসুবিধা ভোগ করবেন। তারা একরকম কাজ করবেন। আর সাধারণ মানুষ সেই কাজ করলে তাকে নিন্দা করা হবে। তাকে শাস্তি দেয়া হবে এটা ঠিক না। আমি মনে করি এটা সম্পূর্ণ রাষ্ট্র বিরোধী, জনস্বার্থ বিরোধী। কাজেই এ কাজ যারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেয়া উচিৎ।

উল্লেখ্য, করোনা ভাইরাসের কারণে কোন যাত্রী পরিবহন চলাচল না করায় কৃষকরা শ্রমিক পাচ্ছে না। যার কারণে অনেক লোক এই সকল কৃষককে সহায়তা করার জন্য তাদের ধান কেটে দেন। তবে কৃষকের সহায়তার নামে অনেকে ফটোসেশন করে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দিচ্ছেন এমন অভিযোগ উঠেছে। আর এরপরই এই সকল ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা দেখা দিয়েছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display