দেশে এ পর্যন্ত বেশ কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। আর এদের মধ্যে মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারও করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হন। তিনি জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক। এরপর তিনি দীর্ঘ ২১ দিন ধরে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এর এই ২১ দিনের মধ্যে তার কয়েকবার করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। তবে তার করোনার রিপোর্ট প্রতিবার পজেটিভ আসে। অবশেষে দীর্ঘ ২১ দিন পর এই সম্মানিত ব্যক্তির করোনার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display



বুধবার (৩ মে) চতুর্থ দফা টেস্টে তার কোভিড-১৯ নেগেটিভ এসেছে বলে গণমাধ্যমকে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

২১ দিন পর করোনা নে‌গে‌টিভ আস‌লো তার। গণমাধ্যমকে তিনি জানান, করোনা নেগেটিভ এসেছে। এখন শ্বা’সকষ্ট নেই। শরীরের ব্যথাও আগের তুলনায় অনেক কমেছে। তবে এখনো হাসপাতালে ভর্তি আছি।

এর আগে গত ২৭ মে থেকে তিনি বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন। শ্বা’সকষ্ট হচ্ছিল। শরীর ব্যথাসহ বেশকিছু সমস্যা দেখা দেয়। অবস্থা বেশি খারাপ হওয়ায় গত ২৮ মে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে সিসিইউ ইউনিটে রাখা হয়। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সবশেষ গত ৩০ মে তৃতীয় দফায় কোভিড-১৯ পরীক্ষা করানো হলে তার ফলও পজিটিভ আসে বলে জানান তিনি। সূত্র: জাগো নিউজ

এর আগে ২৬ মে দ্বিতীয় দফা রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) কোভিড-১৯ টেস্ট করানো হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক।

গত ১৩ মে করোনার টেস্টে অধিদফতরের আলোচিত এ কর্মকর্তার কোভিড-১৯ পজিটিভ আসার পর তিনি হোম কোয়ারেন্টাইনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন।


এদিকে, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের ১৫ জন কর্মকর্তা করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। এদের মধ্যে এখন পর্যন্ত পাঁচজন করোনা ভাইরাস থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আর এখনো ১০ জন কর্মকর্তা চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে, এই ভোক্তা অধিকারের কর্মকর্তার স্ত্রী ও সন্তানদের গত ২০ মে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষ করা হয়। এরপর তাদেরও করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। আর বর্তমানে তারাও বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display