দেশের সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন। আর এই সকল বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীও করোনা ভাইরাসের সংক্রমিত হয়েছেন। তিনি করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার পর কয়েকদিন বাসায় থেকে চিকিৎসা নেন। তবে তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর এপর তিনি গত কয়েকদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন তিনি। তবে তার শরীরক অবস্থা কোনো সময় ভালো ও আবার কোনো সময় খারাপ হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার তার শারীরিক আবস্থা ভালো ছিল না।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display



শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর। সকাল থেকে অক্সিজেন নিতে হয়নি। এ ছাড়া তাঁকে প্লাজমা দেওয়া হয়েছে। আজ শনিবার সকালে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. ফরহাদ গণমাধ্যমকে এসব তথ্য জানান। সূত্র:প্রথম আলো

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৭৯ বছর বয়স্ক এই চিকিৎসক গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। মো. ফরহাদ গণমাধ্যমকে বলেন, ’রাতে ডায়লাইসিস হয়েছে। একটা প্লাজমা নিয়েছেন। এর আগেও দুবার তাঁকে প্লাজমা দেওয়া হয়েছিল। এখন একটু ভালোর দিকে। সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাশতা করেছেন।’

সকাল থেকে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর অক্সিজেন লাগেনি জানিয়ে ফরহাদ বলেন, ’এই মুহূর্তে অক্সিজেন লাগছে না, জানি না আল্লাহ কতক্ষণ ঠিক রাখে।’

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের এক কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, জাফরুল্লাহ চৌধুরীর ফু’সফুসে ইনফেকশন আছে। কিছুটি নিউমোনিয়ার লক্ষণ আছে। তাঁর কি’ডনির সমস্যা রয়েছে। এক দিন পরপর তাঁকে ডায়ালাইসিস করাতে হয়।
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে জানানো হয়, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ব্রিগেডিয়ার অধ্যাপক মামুন মুস্তাফি, অধ্যাপক নজীবের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন।

উল্লেখ্য, এই বিশিষ্ট ব্যক্তি গত ২৫ মে করোনা ভাইরাসের সংক্রমিত হন। ওই দিনা তার করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে তিনি তাদের প্রতিষ্ঠানের উৎপাদিত করোনা ভাইরাসের শনাক্তের কিট দিয়ে নমুনা পরীক্ষা করেন। আর ওই দিনই তার করোনার রিপোর্ট পজেটিভ আসে। এরপর গত ২৮ মে তার করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করে বিএসএমএমইউ। এ সময়ও এই বিশিষ্ট ব্যক্তির করোনর রিপোর্ট পজেটিভ আসে। তিনি গত ২৯ মে থেকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিকে, তার স্ত্রী এবং ছেলেও করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। তারা বর্তমানে বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display