আমি কিভাবে থাকবো তোমাকে ছাড়া : অথৈ

বাংলা সঙ্গীতাঙ্গনের আলোচিত কন্ঠশিল্পী আকবর। সম্প্রতি শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মা/রা গেছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায় অসুস্থ থাকার কারনে তার পরিবার অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল হয় যায়। মৃ/ত্যু পথ যাত্রায় অবস্থায় স্ত্রীর ও এক মেয়ে সন্তানকে রেখে গেছেন। তবে মা/রা যাওয়া আগের সন্তানের কাছে আক্ষেপ করে বলে গেছেন তাদেরকে জলে ভাসিয়ে দিয়ে গেছেন। এবার বাবাকে হারিয়ে তার কষ্টের কথা জানিয়ে যা বলল মেয়ে অথৈ।

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন গায়ক আকবর। বাবাকে হারানোর পর আকবরের মেয়ে অথৈ স্মৃতি হা/তড়ে বেড়াচ্ছেন।

শনিবার (১৯ নভেম্বর) বিকেলে প্রয়াত গায়ক আকবরের আইডি থেকে অথৈ একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস শেয়ার করেন। তিনি লিখেছেন, ‘বাবা, তোমাকে ছাড়া ঘর ফাঁকা লাগছে। যেদিকে তাকাই শুধু তোমার স্মৃতি ভেসে বেড়ায়। শুধু মনে হয়, আমাকে মা বলে ডাকছে তুমি। আমি কিভাবে থাকবো তোমাকে ছাড়া?’

গত শুক্রবার (১৮ নভেম্বর) প্রয়াত আকবরের স্ত্রী ও মেয়ে যশোর থেকে ঢাকায় ফেরেন। ফেরার আগে অথৈ তার বাবার কবরের সামনে তোলা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে ছেড়ে যাচ্ছি বাবা। জীবনে এই প্রথম তোমাকে ছাড়া একা যাচ্ছি। আল্লাহর কাছে ভালো থাকো এবং আমার জন্য দোয়া করো। আমি যেন তোমাকে ছাড়া থাকতে পারি। আমি জানি না থাকতে পারবো কিনা, তবে আমি চেষ্টা করব। বাবা, আমার অনেক ক/ষ্টে হচ্ছে।’

প্রসঙ্গত, প্রায় ১৮ বছর আগে আকবর আলি গাজী কিশোর কুমারের গান ইত্যাদি মঞ্চে গেয়ে পরিচিতি পান। এরপর বাজিমাত করেন তার মৌলিক গান ‘তোমার হা/ত পাখার বাতাসে’ পরিবেশন করে। গানটির অডিও ও ভিডিও দুটোই সুপার হিট হয়েছে। দেশ-বিদেশের মঞ্চে গান গেয়ে জীবন কাটাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু আকবর হঠাৎ কিডনি রোগে আক্রান্ত হন। ডায়াবেটিসও ধরা পড়ে। জীবনের ছন্দ পতন ঘটে। বহু বছর ধরে তিনি ভুগছিলেন।

কিছুদিন আগে রাজধানীর বেটার লাইফ হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে তার ডান পা কেটে ফেলা হয়। এরপর ৫ নভেম্বর কিডনি জটিলতায় রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেখান থেকে তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ডাক্তারদের সমস্ত প্রচেষ্টা বৃথা করে এবং আকবর মা/রা যান।

গত রবিবার (১৩ নভেম্বর) বাদজোহার ধর্মতলা মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা শেষে কারবালা কবরস্থানে তার মায়ের কবরের পাশে আকবরকে শায়িত করা হয়।

প্রসঙ্গত, বাবাকে হারিয়ে অনেকটা অসহায় হয়ে পড়েছেন মেয়ে অথৈ। বাবার আদর ও স্নেহের স্মৃতি মনে করে নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না মেয়ে অথৈ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *