এবার ঐন্দ্রিলার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মা শিখা শর্মা, বেরিয়ে এলো ভিন্ন তথ্য

সম্প্রতি ছোট পর্দার আলোচিত অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মা হঠাৎ করে গুরুতর ভাবে অসস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। টানা ১৯ দিন মৃ/ত্যুর সঙ্গে লড়াই করে চিকিৎসাধীন অবস্থায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমান। তার এই স্বল্প সময়ে চলে যাওয়াটা পরিবারসহ শোবিজ তারকা কেউই মেনে পারেনি। তারে চিকিৎসার জন্য পাশি দাড়িঁয়ে ছিলেন তারকারাসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব। তবে মেয়ের চিকিৎসার নিয়ে এবার ভিন্ন প্রশ্ন তুলে যা জালালেন ঐন্দ্রিলা মা শিখা শর্মা।

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা শর্মার অকাল মৃ/ত্যুতে তার পরিবার বাকরুদ্ধ। শোবিজ অঙ্গন থেকে শুরু করে ভক্তরা কেউই মেনে নিতে পারেননি এই অভিনেত্রীর চলে যাওয়া। মা শিখা শর্মা তার মেয়ের মৃ/ত্যুর কোনোভাবেই শোক কা/টাতে পারছেন না। ঐন্দ্রিলার মৃ/ত্যুর চিকিৎসা নিয়ে হঠাৎ করেই বি/স্ফোরক মন্তব্য ক/রেছেন তিনি।

সম্প্রতি, জীবনবিমা সংস্থার একজন কর্মী ঐন্দ্রিলা শর্মাকে শ্রদ্ধা জানাতে জীবন বীমা কমিটির পক্ষ থেকে একটি স্ম/রণসভার আয়োজন করেছিলেন। বৈঠকে উপস্থিত হয়ে ডাক্তারের বিরুদ্ধে বি/স্ফোরক অভিযোগ করলেন অভিনেত্রীর মা।

তিনি বলেন, ডাঃ পিয়া ঘোষের ইগোর কারণে ঐন্দ্রিলা ডিপ কো/মায় চলে যান। অসুস্থতার দিনে ঐন্দ্রিলা আমার সাথে ঘুমাচ্ছিল। মেয়েটির হঠাৎ কি হল, ১০ মিনিটের মধ্যেই তার হাত-পা নড়াচড়া বন্ধ হয়ে গেল। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসা শুরু হলো। হাসপাতালের কেয়ার খু/ব ভালো ছিল। এর পর মেয়েটির জ্ঞান ফেরে। কিন্তু এরপরই হঠাৎ কো/মায় চলে গেল। ঐন্দ্রিলার চিকিৎসা ব্য/বস্থা আরও কিছু ক/রার সম্ভব ছিল। কিন্তু তা করা হয়নি।

তিনি অভিযোগ করেন, ওই সময় দুই চিকিৎসকের মধ্যে অনেক ইগোর সমস্যা চলছিল। কিন্তু আ/মরা তো আমাদের মে/য়েকে বাঁচাতে চাইব। ডাঃ মল্লিক ঐন্দ্রিলার অস্ত্রোপচার করেন। তিনি একজন অমায়িক ভালো মানুষ। সে সময় তিনি আমাদের অনেক সাহায্য করেছিলেন। কিন্তু ডাঃ পিয়া ঘোষ আমাদের সহযোগিতা করেননি। এটা আমাদের মনের মধ্যে থেকে যাবে সারা জীবন। এমনকি তার করা এমআরআইও ঠি/কমতো হয়নি।

এই বিষয়টি নিয়ে আমরা বহুবার আলোচনা করেছি। তিনি ছাড়া সবাই আমাদের সাহায্য করেছে। ডাক্তার হয়েও অহংকার কারণে সহযোগিতা করেননি পিয়া ঘোষ। তিনি ঐন্দ্রিলার চিকিৎসার দায়িত্ব নি/য়ে তাকে কোমায় পাঠিয়ে দেন। পিয়া ঘোষ ক/খনো মানবিক নন।

ঐন্দ্রিলার মা আরও বলেন, অনেক চিকিৎসক ঐন্দ্রিলার যে চিকিৎসা দিয়েছেন তা ঠিকমতো হয়নি। আমার বড় মেয়ে এ/কজন ডাক্তার অনেক অনুরোধ করলেও তার কথা শোনেনি। আমার মেয়েকে বাঁচানো যেত। তার কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতো না। কারণ, তার হার্ট-ফুসফুস-কিডনি যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সবাই এসে চিকিৎসার পরামর্শ দিচ্ছিলো যা উনার ইগোতে লাগে। একবারও প্রয়োজনবোধ করেনি যে আমার মেয়েকে বাঁচাতে হবে। ২৪ বছর বয়সী অসুস্থ মেয়ের সাথে তার এমন করা উচিত হয়নি। এই দুঃখ নিয়েই আমাদের বাঁচতে হবে।

আমরা মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও চিকিৎসা নিয়ে কথা বলেছি। তবে গ্রিন করিডোর নেওয়ার জন্য তিনি যথেষ্ট স্থিতিশীল ছিলেন না ও। চিকিৎসার জন্য যোগাযোগ করেন অরিজিৎ সিং। এমনকি মুম্বাইয়ের ডা. বিশ্বাস বলেছিলেন কিছু সময় পেলে এয়ারবাসে নিয়ে যাবেন বলে জানান। এদিকে হাসপাতালের ইনচার্জ হঠাৎ করেই ঐন্দ্রিলার সব স্বাস্থ্য সহায়তা খুলে দেন। তবে এসব বিষয়ে তিনি কতটা দক্ষ তা নিয়ে আমাদের অনেক সন্দেহ রয়েছে।

প্রসঙ্গত, অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলার চিকিৎসায় অবহেলা করেছে ডাক্তার অভিযোগ তোলেন মা শিখা শর্মা। তিনি আরও বলেন, মেয়েকে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা করা হলে এমন পরিস্থিতি হতো না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *