এবার সরকার পতন নিয়ে ভিন্ন ইঙ্গিত দিলেন গয়েশ্বর

ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ বিরুদ্ধে না/না ইস্যুতে মাঠে আন্দোলন করছে বিরোধী দল বিএনপি। বিএনপির দাবি আওয়ামীলীগ সরকার ভোট ব্যবস্থা ধ্বংস করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে। যার জন্য জনগণ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিএনপি জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য লড়াই করছে।কিন্তু বিএনপির আন্দোলনকে সরকার প্রতিহত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে নেতাকর্মীদের ওপর আক্রমন করছে বলে জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে। জ/ঙ্গিবাদ ও মৌলবাদ দেখিয়ে আর ক্ষমতায় টিকে থাকা যাবে না মন্তব্য করেন যা জানালেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

জ/ঙ্গিবাদের নামে ‘বিদেশিদের আর ভুল বু/ঝানো যাবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। বুধবার সকালে এক মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশিদের জ/ঙ্গিবাদ ও মৌলবাদের তকমা দেওয়া হয়েছে। বিদেশীদের এখন চোখ প/রিষ্কার হয়ে গেছে।

এগুলো শুধুই নাটক আর নাটক। এই তকমা আজ আ/র চলে না, চ/লে না। ‘

‘একটাই ত/কমা চলে- গণতন্ত্রের পথে ফিরুন। আপনি (প্রধানমন্ত্রী) সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের জন্য জাতিকে সাহায্য করুন আর বিএনপি বলেনি ক্ষমতায় যাবে। আমাদের নেতা তারিক রহমান বলেন, আপনারা আমাকে ভোট দেওয়ার দরকার নেই, আপনাদের ভোটের অধিকারের জন্য আন্দোলন করছি, আমাকে সমর্থন করুন। ‘

স্বেচ্ছায় পদত্যাগ ক/রলে কোন আন্দোলন নয়

গয়েশ্বর বলেন, ‘আমাদের ১০ দফা অনেক কথা। মেনে নিয়ে পদত্যাগ করুন… আমরা আপনাকে উৎখাত করার আগে, আপনি যদি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেন, গণতান্ত্রিক পরিবেশ পুনরুজ্জীবিত করেন, তাহলে আমাদের উৎখাতের আন্দোলন করার দরকার নেই। আর তা না হলে আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমাদের পিছে হটার সময় নেই। আমরা এগিয়ে যেতে গু/লি খেতে পারি আপনার পতন ঠেকানোর শক্তি বাংলাদেশের নেই, বিদেশেও নেই। ‘

তিনি বলেন, ‘আমরা বলতে চাই, আপনারা যদি জনগণের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে পদত্যাগ করেন, গণতন্ত্রের পরিবেশ তৈরি করেন, তাহলে বিএনপি একটি সহনশীল দল, খালেদা জিয়া অত্যন্ত উদার মনের মানুষ, তিনি ক্ষমা করতে জানেন, তিনি মানুষের ওপর জু/লুম করবেন না এবং জিয়াউর রহমান একজন ক্ষমাশীল ব্যক্তি। তাই সেই দলের নেতা-কর্মীরা আগামীতে সহযোগিতা করতে হবে আপনার নিরাপদ জীবনের জন্য শুধুমাত্র গণতন্ত্রের বন্ধ দরজা খু/লে দেওয়া জন্য। ‘

গয়েশ্বর বলেন, ‘রক্তপাত করবেন না, কথায় কথায় গু/লি করবেন না। পুলিশকে জনগণের শত্রু বানাবেন না।’ এ সময় তিনি অবিলম্বে বিএনপির মহাসচিব ও স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসসহ অন্যান্য নে/তাকর্মীদের মুক্তি দাবি করেন।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আবদুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রমুখের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

যুগ্ম পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, পেশাজীবী অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, অধ্যাপক হারুন আল রশিদ, রিয়াজুল ইসলাম রিজু, মোস্তফা কামাল মজুমদার, অধ্যাপক শামসুল আলম, অধ্যাপক হাছান খান প্রমুখ। অধ্যাপক রফিকুল কবির লাবু, অধ্যাপক গোলাম হাফিজ কেনেডি, অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, অধ্যাপক আনিসুর রহমান, রফিকুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান চুন্নু, রাশেদুল হক, বিপ্লব-উজ জামান বিপ্লব, মির্জা লিটন, সাখাওয়াত হোসেন, এবিএম মাহবুবুর রহমান, এবিএম জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। আলম, আবু জাফর খানসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

প্রসঙ্গত, দলের নেতাকর্মীদের মুক্তি ও গণতন্ত্রের পথে ফিরে আসার আহ্বান করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি বলেন, সরকার গণতন্ত্রের পথে ফিরে না এলে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে হটানো হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *