জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান, এবার ভিন্ন ইঙ্গিত দিলেন অলি

সরকার বিনা ভোটে ক্ষমতায় থেকে দেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। দেশের মানুষ আজ তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কিন্তু সরকারের মন্ত্রী-এমপিরা গণতন্ত্রের ছোবক দিয়ে বেড়াচ্ছে। সারকার আবারও বিগত নির্বাচনের মতো বিনা ভোটে ক্ষমতায় থাকার পাঁয়তার করছে যার জন্য বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দিয়ে দ/মন করছে। জামায়াতে ইসলামীকে উ/গ্র দল হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করা হচ্ছে মন্তব্য করা হচ্ছে মন্তব্য করে যা বললেন এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) আলী আহমদ বীর বিক্রম।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, ‘অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে খেয়াল করছি তথাকথিত মুসলিম ইসলামী দল জামায়াতে ইসলামীকে উ/গ্র দল হিসেবে চিহ্নিত করছে। একজন মুসলমান যদি দাড়ি রাখে, নিয়মিত নামাজ পড়ে, আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করে, সে কখনই মৌলবাদী হতে পারে না।’

শনিবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

কর্নেল অলি বলেন, ‘ইসলাম উ/গ্রবাদ শেখায় না, শেখায় বিনয় ও ভদ্রতার। কিছু রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশকে ভয় পায় এবং তারা এই দলটিকে ‍উ/গ্র দল হিসেবে চিহ্নিত করতে ব্যস্ত। সরকার পতনের আন্দোলনে ঐক্যবদ্ধ হোন। সরকার বিরোধী দলের বিরোধিতা বন্ধ করুন। আমাদের লক্ষ্য একটাই- নিশিরাতের অবৈধ সরকার ও ভোট ডাকাতদের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এবং তাদের বিদায় করা। বরং সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠা, তাদের মাধ্যমে দেশে ন্যায়বিচার, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন নিশ্চিত করা। দেশের মানুষকে নি/র্যাতন ও অসহনীয় য/ন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেওয়া।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা থেকে উত্তরণ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন- এই কাজগুলো সম্পন্ন করার জন্য বিএনপির সহযোগিতায় গতকাল জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ আমাদের সঙ্গে কর্মসূচিতে অংশ নেয়। তাদের বিরুদ্ধে পুলিশের নির্বিচারে গু/লি ও লাঠিচার্জ গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পরিপন্থী।’

কর্নেল অলি বলেন, ‘আশা করি সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে মানবতা দেখাবেন এবং সবার সঙ্গে সমান আচরণ করবেন। আমরা সবাই বাংলাদেশি।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো এক সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সরকার বিরুদ্ধে আন্দোলনের আহ্বান জানান এলডিপি সভাপতি কর্নেল (অব.) আলী আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেন, জামায়াতের নেতা কর্মীদের ওপর পুলিশের হা/মলা মানবাধিকার লঙ্ঘন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *