বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই এ টু জেড : আবদুর রহমান

দীর্ঘ দিন ক্ষমতার ধারাবাহিকতায় দলের মধ্যে আভ্যন্তরীন কন্দোলসহ বিভিন্ন বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে দলের নেতাকর্মীরা। আর এসব সমস্যা দূর করে সাংগঠনিক ভাবে দলকে মুজবুত করতে কাজ করছে দলের শীর্ষ নেতারা। যদিও দলের শীর্ষ নেতার বলছে আওয়ামীলীগ একটি বড় রাজনৈতিক দল যার কারনে এতো পরিমান নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রন করা অনেক সময় কঠিন হয়ে যায়। আগামী দিনে দলকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দলের শীর্ষ পদ সাধারন সম্পাদক হওয়ার ক্ষেত্রে যে তথ্য প্রকাশ্যে এলো।

আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই দলটির সাধারণ সম্পাদক কে হবেন তা নিয়ে আলোচনা জোরদার হচ্ছে। নতুন মুখ নাকি ওবায়দুল কাদের ৭৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে ইতিহাসে নাম লেখাবেন টানা তৃতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক হিসেবে, প্রশ্ন সবার মনে। সভাপতি পদ নিয়ে কোনো প্রশ্ন নেই। দলের ঐক্য ও আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা।

উপমহাদেশের ঐতিহ্যবাহী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় কাউন্সিলের তারিখ ঘোষণার পর থেকেই নতুন কমিটি নিয়ে আলোচনা চলছে। দিন যত ঘনিয়ে আসছে, আলোচনার প্রভাব ততই প্রশস্ত হচ্ছে।

বরাবরের মতো এবারও বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাকে সভাপতি হিসেবে দেখতে চান সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। ৪২ বছরে শত প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়ে দলের অনিবার্য নেতা হয়ে উঠেছেন সভানেত্রী শেখ হাসিনা। সবাই মনে করে তার কোন বিকল্প নেই।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কর্নেল (অব.) ফারুক খান বলেছেন, আ.লীগের শতভাগ নেতা-কর্মী, যারা কাউন্সিলে প্রতিনিধি হবেন, তারা সবাই চান শেখ হাসিনা যেন আওয়ামী লীগের সভাপতি হন। একমাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানা চার মেয়াদে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এরপর টানা তিন মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন জাতীয় নেতা তাজউদ্দীন আহমদ। এরপর টানা দুই মেয়াদের বেশি কেউ সাধারণ সম্পাদক হননি। ওবায়দুল কাদের ২০১৬ সাল থেকে টানা দুইবার সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি টানা তৃতীয় মেয়াদে থাকবেন, নয়তো সংগঠনে এখন নতুন মুখ দেখা যাবে। নির্বাচনকে সামনে রেখে তাকে তৃতীয়বারের মতো আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক করা হতে পারে বলে দলে গুঞ্জন রয়েছে। কিন্তু এটা নিয়ে কেউ কথা বলছে না।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আনুষ্ঠানিক প্রার্থী হওয়ার কোনো বিধান নেই। ফলে কেউ নিজেকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেননি। তবে সাধারণ সম্পাদক পদে অনেকের নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে -সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমানের মতো ডাকসাইটে নেতারা। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম হানিফ, ডা. হাসান মাহমুদ ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমও আলোচনায় রয়েছেন।

দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনাই এ টু জেড। যে কমিটিতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন, কমিটির কর্মকর্তারা এর কাজে সহায়তা করবেন যাদের সঙ্গে কাজ করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করবেন; দলকে শক্তিশালী এবং বেগমান করার যে প/রিকল্পনাটি তার মনে আছে, তি/নই করতে পারবেন। তিনিই বলতে পারেন। তবে এটুকু বলতে পারি, এটা আমাদের প্রত্যাশার বাইরে যাবে না।

তবে শেষ পর্যন্ত কে সাধারণ সম্পাদক হবেন তা নির্ধারণ করবে পরিষদ। সেজন্য ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

প্রসঙ্গত, দলের জন্য কি প্রয়োজন সেটি একমাত্র প্রধামন্ত্রীই জানেন সুতারাং তার সিদ্ধান্ত চড়ান্ত বলে মন্তব করেন সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। তিনি আরও বলেন, দলের ব্যাপারে কি করতে হবে সেটি তার মাথাই আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *