যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে হেনস্তা, এবার ভিন্ন ইঙ্গিত দিল বিএনপি

ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ জোর করে ক্ষমতা দখল করে দেশে নৈরাজ্যের রাজত্ব কায়েম করেছে। ক্ষমতা টিকে থাকতে তারা বিরোধী দলের ওপর নি/র্যাতন, নী/ড়ন অব্যাহত রেখেছে। আওয়ামীলীগ আবার ১৪ ও ১৮ সালের মতো নির্বাচন করে ক্ষমতায় দখল করে রাখতে চায় বলে দাবি করে বিএনপি। সরকার গনতন্ত্রের ধ্বং/স করে জনগণের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নিয়েছে। সরকারের হাতে শুধু দেশের মানুষ না বিদেশীরাও নিরাপদ নয় মন্তব্য করে যা জানালেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

আওয়ামী দুঃশাসন ও অপরাজনীতি থেকে বাংলাদেশে কেউ মুক্ত নয়; এমনকি বিদেশিরাও নিরাপদ নয় বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও দফতরের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।

বৃহস্পতিবার বিকেলে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন।

প্রিন্স অভিযোগ করেন, হৃদরোগ ও ডায়াবেটিসসহ নানা রোগে আক্রান্ত বিএনপি নেতাকর্মীদের ওষুধ সরবরাহে বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাদের প্রয়োজনীয় পোশাক দিতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিবারের পক্ষ থেকে দেখা করার অনুমতি দে/ওয়া হচ্ছে না। কারাবন্দী নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হচ্ছে। বন্দীদের ডিভিশন দেওয়া হয় না। যা কারা প্রথা ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারের নির্দেশেই এটা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের হয়রানির বিষয়ে ইমরান সালেহ বলেন, এটা দুঃখজনক। আওয়ামী দুঃশাসনের অরাজনৈতিক নীতি থেকে বাংলাদেশে কেউ মুক্ত নয়; বিদেশীরাও আজ নিরাপদ নয়। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

তিনি বলেন, এ ঘটনায় বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষুন্ন হবে। বাংলাদেশে গণতন্ত্র নেই, আইনের শাসন নেই, মানবাধিকার নেই, এখানে যে অব্যবস্থাপনা চলছে তা প্রকাশ পাবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপির নিখোঁজ নেতার বাসায় গেলে মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে হেনস্তা করা হয়। এর আগে মোহাম্মদপুরে গভীর রাতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বার্নিকাটের গাড়িতে হা/মলা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা কাজী আবুল বাশার, তাইফুল ইসলাম টিপু, বেলাল আহমেদ, কাজী রাওয়ানকুল ইসলাম টিপু, আমিরুজ্জামান খান শিমুল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, আওয়ামীলীগ সরকার এখন শুধু দেশের মানুষ নয় বিদেশিদের জন্যও নিরাপদ নয় মন্তব্য করেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স। তিনি বলেন, তাদের অপরাজনীতি ও বৈষম্যমূলক আচারণ দেশের সুনাম ক্ষুন্ন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *