স্বামীর বিরুদ্ধে সারিকার মামলা, কারন জানালেন অভিনেত্রী নিজেই

নাট্যাঙ্গনের আলোচিত অভিনেত্রী ও মডেল সারিকা সাবরীন। একাধিক জনপ্রিয় নাটক অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শক ও ভক্তদের মন জয় করে নিয়েছেন তিনি। নাটকের অভিনযের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মাঝে-মধ্যেই আলোচনায় এসে থাকেন আলোচিত এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি প্রথম সংসারের ইতি টানাকে কেন্দ্র করে আলোচনায় এসে ছিলেন তিনি। তবে দ্বিতীয় সংসার নিয়ে আবার জটিলতার সৃষ্টি হয় আর স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার বিষয়টি নিয়ে যা জানালেন অভিনেত্রী সারিকা সাবরীন।

মডেলিং ও নাটকের জনপ্রিয় মুখ সারিকা সাবরীন। সবাই তার অভিনয় দক্ষতার প্রশংসা করে। তবে অভিনয়ের চেয়ে ব্যক্তিগত জীবন নিয়েই বারবার আলোচনায় আসছেন এই নায়িকা। প্রথম বিয়ে ভে/ঙে গেছে অনেক আ/গেই । তিনি একটি নতুন পরিবার পেয়েছিলেন। এক বছরের মধ্যেই দ্বিতীয় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।

এ ঘটনায় আরও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে সারিকা। কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে কি স্থায়ী হয় না?এমন প্রশ্ন এখন তার ভক্ত-সমালোচকদের মুখে মুখে।

স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা করার কারণ জানান সারিকা। তিনি দেশের একটি জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যমেকে বলেন, একজন মানুষ আসলে কখন থানা-আদালতের দ্বারস্থ হয়? যখন তার পাশে কেউ থাকে না। একদিকে স্বামী বদরুদ্দীন আহমেদ রাহীর নি/র্যাতন, অন্যদিকে পরিবারের সদস্যদের পা/শে না পাওয়া। পরিবার যদি বিশেষ করে আমার স্বামী সংক্রান্ত বিষয়ে আমাকে সহযোগিতা করতো, তাহলে বিষয়টি মামলায় গ/ড়াত না।

স্বামী আমাকে নি/র্যাতন করতো, সে (স্বামী) আমাকে শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক সব দিকে দিয়ে নি/র্যাতন করেছে বলে জানান নায়িকা। আমি তার স্ত্রী, আমি একজন শিল্পী, সে আমাকে যেভাবে অত্যাচার করে তা আমি সহ্য ক/রার মতো না। আমাদের বিয়ের সময় ২০ লাখ টাকা দেনমহর ধার্য করা হয়েছিল। আমার পরিবার আমাকে ২৫ লাখ টাকার সোনার অলংকার, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালির জিনিসপত্র দিয়েছে। বিয়ের কিছুদিনের মধ্যেই সে আমার কাছে ৫০ লাখ টাকা দাবি করে। আমার পরিবারকে থে/কে তার জন্য টাকা আনতে বলে। আমি রাজি না হওয়ায় আমাকে অকথ্য গালিগালাজ, মা/রধর করে। সেজন্য মামলা করেছি।

প্রসঙ্গত, তার নির্যাতন মাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার কারনে আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছি মন্তব্য করেন অভিনেত্রী সারিকা সাবরীন। তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি কাউকে পাশে পায়নি যার কারনে বাধ্য হয়েছে এ কাজ করতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *